আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে সতর্ক হোন

36

যথাসম্ভব আগামী ডিসেম্বর দেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন যাঁরা দলের হয়ে বিভিন্নভাবে ত্যাগ স্বীকার করে একটি পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছে নির্বাচন তাদের জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা। এই পরীক্ষায় জনগণের ভোটে মূল্যায়িত হয়ে তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আসীন হওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। বিশেষ করে, শিল্প, কল-কারখানা, বন্দর, কাস্টম, ইপিজেড, পর্যটন, বরেণ্য ব্যক্তি ও রাজনৈতিকভাবেও চট্টগ্রাম-১১ বন্দর, ইপিজেড, পতেঙ্গা, সদরঘাট এবং আংশিক ডবলমুরিং নিয়ে এই আসন গঠিত। ৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে এই এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা বন্দরের সোয়াত জাহাজ প্রতিরোধে প্রশংসনীয় ও সাহসী ভূমিকা রাখেন। কিন্তু দুঃখের বিষয়, এই আসনের প্রার্থী নিয়ে যেখানে অহংকার আর গর্ব করার কথা সেখানে বারবার আমাদের লজ্জায় মুখ ঢাকতে হচ্ছে। জনবিচ্ছিন্ন ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সাথে আতাঁতকারীরা এ আসনের প্রার্থী কীভাবে মনোনীত হয়-তা ভাববার বিষয়। দলে অনুপ্রবেশকারী, বহিরাগতদের মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা ত্যাগী, আওয়ামী লীগ ঘরনার , বরণ্যে এবং তারণ্যের শক্তির ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর মধ্যে দাবি উঠেছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম- ১১ আসনে একজন দেশপ্রেমিক, আওয়ামী পরিবারের সুযোগ্য সন্তান, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, তারুণ্যের প্রতীক, পরিচ্ছন্ন এবং ত্যাগী রাজনীতিবিদকে মনোয়ন প্রদান করা হোক। আমরা এই ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
চট্টগ্রাম -১১ আসনের জনসাধারণের পক্ষে-
এম আমিন উল্লাহ মেজু, রশিদ বিল্ডিং, চট্টগ্রাম।