“ আল্লাহ আমারই প্রভু , নবী আমার মুহাম্মদ (দঃ) ইসলাম আমারই ধর্ম-আমার নাহি কোন ভয় ”

আবদুল হাই

11

বেশকিছুদিন যাবত স্মার্ট ফোনে ইসলাম ধর্মানুসারিদের মধ্যে বিশেষ করে ওয়াহাবী এবং সুন্নী মতাবলম্বির মধ্যে কতিপয় বিষয় নিয়ে বিতর্ক দৃশ্যমান হয়। এতদ্ব্যাপারে কোন মন্তব্য প্রকাশ করা থেকে নিজেকে সামলে রেখেছি। ইসলামের মূল বিষয় হচ্ছে ইমান। বোখারী শরীফের বর্ণনানুসারে ‘একদা রসুল (দ.) প্রকাশ্য দরবারে বলেছিলেন। এমন সময় একজন লোক তাঁহার দরবারে আসিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন ইমান কাহাকে বলে ? রাসুল (দ.) বলিলেন ইমান এই যে, (১) আল্লাহর অস্তিত্বে ও একত্বে বিশ্বাস করিতে হইবে, (২) আল্লাহর ফেরেশতাগণের অস্তিত্বে বিশ্বাস করিতে হইবে, (৩) আল্লাহর কেতাব সমূহের উপর বিশ্বাস স্থাপন করিতে হইবে, (৪) আল্লাহর পয়গন্বরগনেণর উপর বিশ্বাস স্থাপন করিতে হইবে, (৫)বিশ্বাস করিতে হইবে যে মানুষকে মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত হইতে হইবে এবং স্বীয় কৃতকর্মের হিসাব দেওয়ার জন্য ও ভালমন্দ কর্মফল ভোগ করার জন্য আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হইতে হইবে’। খাঁটিভাবে আল্লাহকে এক বলিয়া অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস করিতে হইবে। মোহাম্মদ (সঃ) যে আল্লাহর রসুল অন্তরের সেই দৃঢ় বিশ্বাসের ঘোষণা ও প্রকাশ্য দিতে হইবে। কালেমা শাহাদাৎ যাহার অর্থ-সাক্ষ্য দিতেছি যে আল্লাহ ছাড়া কেহ উপাস্য নাই, তিনি এক, তাঁহার কোন শরীক নাই এবং আরো সাক্ষ্য দিতেছি যে মোহাম্মদ (দ.) আল্লাহর বান্দা ও রসুল। এরপর আগন্তুক প্রশ্ন করিলেন কেয়ামত কবে আসিবে ? রসুল্লাহ (দ.) উপরে বলিলেন এ প্রশ্নের উত্তর আমি আপনার চাইতে অধিক জ্ঞাত নহি। তবে কেয়ামতের আলামতগুলো বলে দিচ্ছি। যখন সন্তান সন্ততিগণ মাতাপিতার অবাধ্য হবে। তাদের নাফরমানী করিবে এবং তাদের সঙ্গে চাকর-বাকরানীর ন্যায় ব্যবহার করিবে, যখন চরিত্রহীন ও অতিশয় নিম্নস্তরের লোকদের হাতে কর্তৃত্ব ও রাজ্য শাসন ভার চলে যাবে এবং ধন-দৌলত অর্থ-সামর্থ ও ঐ শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যাবে, তারা ঐ অর্থের সদ্বব্যহার না করে প্রতিযোগিতামূলকভাবে বড় বড় মহল তৈরি করবে। উহাতে গৌরববোধ করবে। এ উত্তর প্রাপ্তির পর অগন্তুক চলে গেলেন সঙ্গে সঙ্গে হমরত(দ.) সাহাবীগণকে আদেশ করেন তাঁকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনো। কিন্তু লোকটিকে আর দেখা পেলোনা কেউ। অতঃপর রসুল(দ.) বরেন ঐ আগন্তুক হযরত জিব্রাইল (আ.)। অর্থাৎ এ ঘটনার মাধ্যমে কালেমা ত্যাইয়ার চিরসত্য বাণী আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, মোহাম্মদ (স.) আল্লাহর রাসুল। এটাই আমাদের প্রিয় ধর্ম ইসলামের ঈমানের ভিত্তি। এ বিষয়ে অন্তরে বিশ্বাস। এ বিশ্বাসের ভিত্তিতে আমাদের সমস্ত আমল পরিচালিত হয়। তারেক মনোয়ার নামে ওয়াহাবী মতবাদের এক মৌল্লা সাম্প্রতিক সময়ে এক সংশোধনী এনেছে কালেমা তায়্যিবাহতে। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ। তার নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করতে চেষ্টা করেছেন আল্লাহ এবং মুহাম্মদ নাম পাশাপাশি অবস্থান নবী মুহাম্মদ এবং আল্লাহকে সমর্পমারে এনে আল্লাহর মর্যদা ক্ষুন্ন করা হয়েছে এবং এটা শিরিক বা আল্লাহর সাথে একাকার করা হয়েছে। দীর্ঘদিনে প্রচলিত নিয়মকে এখনও পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বে এ কালেমাকে মুসলিম মিল্লাত বিনা তর্কে গ্রহণ করে আসছে, খোদ ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারি আলেমগন পর্যন্ত এ কালেমাকে গ্রহণ করে নিয়েছেন। সৌদি আরবে এ কালেমা গ্রহণ যোগ্যতার বিষয়ে কোন প্রশ্ন উঠেনি।

তাদের জাতিয় পতাকাতে কালেমা তায়্যিবাহ সন্নিবেশিত আছে। তাই বিশ্বের মধ্যে সৌদি আরব একমাত্র রাষ্ট্র যে দেশে কোন শোকের দিনে সে দেশের পতাকা অর্ধনমিত করার কোন নিয়ম নাই। কালেমার দুটি অংশ একটি হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া আমাদের কোন ইলা নেই। এর ব্যাখা হচ্ছে আমরা প্রভূ আল্লাহর ইবাদত করি, আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয়। তাঁর শরীক এবং সমকক্ষ আর কেউ নেই। কালেমার ২য় অংশে বলা হয়েছে প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ (স.) আল্লাহর রসুল। তিনি সর্বশেষ নবী এবং মানবকুলে সর্বশ্রেষ্ঠ। তিনিই মুত্তাকিগনের ইমাম। তিনিই ইমামুল মুরসালিন অর্থাৎ রাসুলগণের ইমাম। আমরা অতন্ত ভাগ্যবান আমরা সেই সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবীর উম্মত। এটা আমাদের পরম প্রাপ্তি। বর্তমানে ওয়াহাবী মতাদর্শের অনুসারি মোল্লা সম্প্রদায় ওয়াজমাহফিলের মাধ্যমে ঈদে মিলাদুন্নবী উদ্যাপন, মিলাদ মাহফিলের আয়োজন, নবীর নামে দরূদসালাম, কেয়াম করা, গরীবদুস্থদের জন্য মেজবান, মৃত ব্যক্তির কবর জেয়ারত বা কোরআন পাঠকে ( কবর পূজা বলে আখ্যায়িত করে।) না জায়েজ বা বেদাত বলে প্রচারণা চালাচ্ছে। তারাবির নামাজকে ৮ রাকাত ঘোষণা, তারাবিতে ৪ রাকাত নামাজান্তে সুব্হানা জিল মূলকে …দোয়া না পড়ে একটু রিলাক্স করতে বলা। দোয়া বা মুনাজাতের আবশ্যকতা নাই বলা। আখেরিজুম্মার নামাযান্তে মুনাজাত না করার দৃষ্টান্তে আমি চাক্ষুস প্রমাণ। তারপর এদের অনুসৃত বিষয়াদির ওপর ঘাঁটাঘাঁটি না করে সম্পৃতির খাতিরে এসব ধর্মীয় বিষয়াদি নিয়ে বাড়াবাড়িতে না গিয়ে নির্লিপ্ততা কে শ্রেয় মনে করেছিলাম। ধর্মীয় দলাদলি দেশের জন্য ভালো নয়। বেশকিচুদিন পূর্বে সরকার ওয়াজ মাহফিলের ওপর নীতিমালা গ্রহণের ঘোষনা দিয়েছিলেন। তা যদি হয় অনাকাক্সিক্ষত বিতর্ককে রোধ করা সম্ভব হতো। যার যার স্থানে যে যেখানে অবস্থান করুক। আমার নবীকে আমি সম্মান করবো আর অন্যপক্ষ করছে দমন তাকে যে চেপে ধরে সম্মান করাতে বাধ্য করবো এমনটা করার দরকার নেই। তবে নবী(দ.) এর অমর্যাদা হউক সেটা মুসলমান হিসেবে কাম্য নয়।
বর্তমানে স্মার্টফোনে এ সুযোগ গ্রহণ করে কতিপয় নাস্তিক, ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হযরত মুহাম্মদ (দ.) কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে যাচ্ছে এবং আল্লাহর একত্ববাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে (নাওজুবিল্লাহ) যে দেশে শতকরা ৯০% মানুষের প্রিয় ধর্ম ইসলাম, যারা পরিপূর্ণভাবে এক আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে আসছে, সে দেশে সাম্প্রতিক কালে এসব নাস্তিকদের বিরুপ মন্তব্য এবং খোলামেলা ভাবে আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করার কাজে প্রচার প্রচারণা করে মানুষকে প্রলুব্ধ করার মতো ধৃষ্টতা কোথা থেকে পেয়ে সেই কালে হাতের অস্তিত্ব খুঁজে বের করা আবশ্যক।
মহান আল্লাহ অদৃশ্যমান হয়েও সুপরিচিত। তিনিই প্রথম, তাঁর কোন আদি নেই। তাঁর পূর্বে কোন কিছুই ছিলোনা, তিনি সৃষ্ট নন, তাই তিনি অনাদি। তাঁর ধ্বংস নেই তিনি অনন্ত। তিনি অসীম। তিনি সর্বশক্তিমান। তিনি মহানস্রষ্টা। আদম (আ.) আমাদের আদি পিতা। আদমকে সৃষ্টি করার পর আরাফার নামান স্থানে আল্লাহ তার থেকে একটি অঙ্গিকার গ্রহণ করলেন। পৃথিবীর শেষদিন পর্যন্ত যে সকল ভবিষ্যৎ বংশধর জন্মগ্রহণ করবে তাদের থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ের পর তাদেরকে তাঁর সামনে ছড়িয়ে দিলেন। তিনি তাদের সাথে সরাসরি কথাবললেন, ‘ আমি কি তোমাদের রব নই? তারা বলরো, হ্যাঁ আমরা সাক্ষ্য দিলাম’ এরপর আল্লাহ ব্যাখ্যা করলেন, তিনিই তাদের স্রষ্টা এবং প্রভু। তিনি বললেন তোমাদের থেকে এজন্যই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হলো যেন কেয়ামতের দিন তোমরা বলতে না পারো আমরা এসব কিছুই জানতাম না। আলমে আরওয়া বা রূহের জগতের এসব আত্মা শরীর সৃষ্টির পূর্বে আল্লাহর উপর বিশ্বাস আনার এবং তাঁকে জেনে তাঁর হুকুম অনুযায়ী চলার ওয়াদা করেছিল। কিন্তু তথাপিও পৃথিবীতে কিছু সংখ্যক আত্মা ওয়াদার বিপরীতে অবস্থান করে আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করতে শুরু করে দিয়েছে।
আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাসকারীরা হচ্ছেন আস্তিক আর এর বিরুদ্ধাবস্থানকারীগণ হচ্ছে নাস্তি (অমহড়ংঃরপ) তাদের যুক্তি হচ্ছে আল্লাহকে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের কোনোটি দ্বারা অনুভব করেনা। তাদের এহেন মনগড়া খোঁড়া যুক্তির বিরুদ্ধে যুক্তি হচ্ছে, বাতাস দৃশ্যমান নয়, কিন্তু বাতাসের অস্তিত্ব স্বীকার করে বাতাসকে আমরা পদার্থ বলে থাকি। মধ্যাকর্ষণ শক্তি অদৃশ্য শক্তি হলেও আমরা বিশ্বাস করি। বিদ্যুৎ শক্তি না দেখেও আমরা এর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে থাকি। আমরা অনেক কিছু বস্তুগতভাবে অবলোকন না করলেও তাদের অস্তিত্বে বিশ্বাস করি। দৃশ্যমান হলেই সবকিছু সত্য হবে এমন ধারণাভ্রান্ত। আমরা দিগন্তের আকাশকে তাকালে মনে হবে আকাশ এবং পৃথিবীর গোলাকার দিগন্ত রেখা একসাথে হয়ে একটি অপরটিকে স্পর্শ করে আছে। এ দৃশ্যমান ধারণাটা পুরো পুরি ভ্রান্ত। মৃতপিতা কে জন্মের পর দেখা হয়নি। অর্থাৎ জন্মের পূর্বে পিতার মৃত্যু হয়েছে তার অস্তিত্ব পৃথিবীতে বিদ্যমান নেই। তা হলে কি জন্মের ব্যাপারে পিতার রক্ষিত স্থাবর অস্বীকার করা যাবে। তাই যদি হয় ঐ সন্তান পিতার রক্ষিত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হবার কথা। আয়না দৃশ্যমান ছবির অস্তিত্ব দিয়ে প্রমাণ করা যাবে না আর একটা মানুষ আয়নার অভ্যন্তরে আছে। মানুষের যে ইন্দ্রিয় আছে তা তাকে সাধারণ ব্যাপারে সবসময় সঠিক তথ্য দিতে সক্ষম নয়। একদা এক নাস্তিক এক দরবেশকে প্রশ্ন করে আল্লাহকে না দেখে কিভাবে আল্লাহর অস্তিত্ব স্বীকার করবো ? দরবেশ তাকে পাথর দিয়ে আঘাত করলেন, লোকটি বললো আমি আঘাত পেয়েছি তখন দরবেশ বললেন আঘাত তো দৃশ্যমান নয়। একে বিশ্বাস করা যায় কিভাবে ?
আল্লাহ এমন না, কেউ যদি হঠাৎ করে আল্লাহকে দেখতে চান আল্লাহ আরশ আজীম থেকে নিচে নেমে এসে সাক্ষাৎ দেবেন। অসীম ক্ষমতার অধিকারী অবিনশ্বর আল্লাহকে পৃথিবীর বুকে অবস্থান করে নশ্বর চক্ষু দিয়ে দেখা অসম্ভব ব্যাপার। একবার নবী মুসা (আ.) আল্লাকে দর্শনের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন, আল্লাহ বলেন, তুমি তো আমাকে দেখতে পারেনা। তুমি পাহাড়ের দিকে তাকাও যদি পাহাড় আগের মতো দৃঢ় তাকে তাহলেই আমাকে দেখতে পাবে। যখন প্রকাশ করলেন তিনি পাহাড়ে তৎক্ষণাৎ পাহাড় চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে গেলো। মুসা(আ.) ধরাশায়ী হয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লেন। মুসা জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললেন আপনি মহান। সুরা আরাফ : ১৪৩।
নাস্তিকরা বলেছে ধর্ম মানুষের তৈরি এবং অন্ধকার যুগের কুসংস্কার অসহায় মনকে প্রবোধ দিতে কল্পিত খোদাকে মেনে নিয়েছে। আইনস্টাইন বলেন জবষরমরড়হ রিঃযড়ঁঃ ংপরবহপব রং নষরহফ ধহফ ংপরবহপব রিঃযড়ঁঃ ৎবষরমরড়হ রং ষধসব আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করার কোন পথ নেই। যদি বলি প্রকৃতি কি? প্রকৃতি একটি সৃষ্টি। তখনই প্রশ্ন আসবে এ সৃষ্টির স্রষ্টাকে কে ? অবশ্যই মহান আল্লাহ এ সৃষ্টির মহান স্রষ্টা। তা না হলে নাস্তিকরা প্রমাণ করুক আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতির অন্য আর কোন স্রষ্টা আছে ? আল্লাহর স্বয়ংসম্পূর্ণ। সবকিছুর উপরেই আল্লাহর কর্তৃত্ব বা শক্তি বিদ্যমান। কোরআনে তা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন। ‘ইন্নাল্লাহ আলাকুল্লে শাইইন কাদির’ সবকিছুর উপরে আল্লাহরই কতৃত্ব। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে স্মার্ট মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কতিপয় নাস্তিক আল্লাহর অস্তিত্বের বিরুদ্ধবাদ ছড়াতে প্রতিদিন ব্যতিবস্ত রহিয়াছে। আমাদের দেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ হওয়ার পরও কোন সাহসীকতা নিয়ে কোন অদৃশ্য শক্তির মদদ নিয়ে মহান আল্লাহতালার অস্তিত্ব ও একাত্মবাদের বিরুদ্ধে এই তথাকথিত মুফতি আবদুল্লাহ আল মাসুদ মাথায় টুপি মুখে দাঁড়ি এবং ইসলামী লেবাসধারী ব্যক্তি নাস্তিক্যবাদ নিয়ে প্রচার প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে তা বোধগম্য নয়। ধর্ম আমাদের ইসলাম, প্রভু আমাদের মহান আল্লাহ তার অস্তিত্বে আমাদের পূর্ণ বিশ্বাস, তিনি বিশ্বভ্রমাÐের একমাত্র মালিক। আমরা একপ্রভুর উপাসনা করি। আমরা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করি। আল্লাহ ছাড়া আমাদের আর কোন মাবুদ নেই। আল্লাহর সার্বভৌমত্বই আমাদের বিশ্বাসবোধ। শয়তানেই কুমন্ত্রণা অনুসরণ করে মানুষ বিপথগামী হয়। শয়তানেই প্রলোভন হতে নিজেকে রক্ষা করতে আল্লাহতায়ালা মানুষকে প্রার্থনা শিখিয়েছেন।
‘আমরা তোমাকেই আরাধনা করি এবং তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথে চালাও যে পথে তোমার অনুগৃহীত প্রিয়জনেরা চলে তাহাদের পথে নয় যাহারা পথভ্রষ্ট ও অভিশপ্ত’ আল্লাহ ইসলামকে রক্ষা করুন।

লেখক: অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট