আলো ছড়াক ইম্পেরিয়াল

45

চট্টগ্রামে বিশেষায়িত চিকিৎসার আশাপ্রদ সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। যা চট্টগ্রামের রোগীদের আশার আলো দেখাবে। আসছে মাস খানেকের মধ্যে চালু হচ্ছে নগরীর ফয়েজ লেক এলাকায় ইম্পেরিয়াল হসপিটাল। এতে থাকছে ৩৭৫টি শাখা। এমনিতে চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থা ঢাকার তুলনায় অপ্রতুল। আর ভারত, থাইল্যান্ড শিঙ্গাপুরতো অনেক দূর। প্রতিবছর এখান থেকে চিকিৎসা নেবার জন্য হাজার হাজার মানুষ বিদেশে ছুটছে। রাষ্ট্রের প্রচুর অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। যখন দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত সে মুহূর্তে সকলের আশা চিকিৎসা খাতের উন্নয়ন। বিশেষ করে বিশেষায়িত চিকিৎসার বড় অভাব আমাদের দেশে। সীমিত যে চিকিৎসা দেশে মেলে তাতে ভরসা নেই মানুষের। দেশের অগ্রগতির সাথে এ খাতে বিশেষ কোনো উন্নতি যখন চোখে পড়ছে না ঠিক সে সময় উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ইম্পেরিয়াল হসপিটাল। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। থাকছে ১৪টি মডিউলার অপারেশন থিয়েটার। ভারতের নারায়ণা হেলথের সাথে ইম্পেরিয়াল কার্ডিয়াক সেন্টার পরিচালনা করবে। অসচ্ছল রোগীদের জন্য থাকবে বিশেষ ছাড়। রোগীর স্বজনদের জন্য এখানে থাকার ব্যবস্থাও থাকবে। ট্রান্সপ্লেন্টের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে এ হসপিটালে। এর মূল নকশা তৈরি করে ইউরোপের একটি কোম্পানি। আশা করা যায় চট্টগ্রামে বিশেষায়িত চিকিৎসার সূচনা রোগী এবং তাদের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। ভারতীয় ভিসার জন্য প্রতিদিন শত শত মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এখন জানা যাচ্ছে কলকাতায়ও চিকিৎসার জন্য যাওয়া লোকেরা প্রতারিত হচ্ছে। তাই মাদ্রাজমুখি হচ্ছে রোগীরা।
চট্টগ্রামে ইম্পেরিয়াল হসপিটাল-এর যাত্রা আশার সঞ্চার করবে। ইম্পেরিয়ালকে অনুকরণ করে বেসরকারি খাতে হাসপাতাল তৈরির সংখ্যা বাড়াতে হবে। এতে সবার আগে শিল্পপতিদের এগিয়ে আসতে হবে। যেমনটি হয়েছে ইম্পেরিয়াল হসপিটালের ক্ষেত্রে। আমাদের প্রয়োজনীয় খাতসমূহের বেসরকারি উদ্যোগ অতি আবশ্যক। তাই আমরা দেশপ্রেমিক শিল্পপতিদের কাজে আহব্বান জানাই আসুন জনকল্যানমূলক প্রকল্প গ্রহণ করি।