আলোকিত ব্যক্তিত্ব আখতার কামাল চৌধুরী

বিকাশ নাথ

1

মোহাম্মদ আখতার কামাল চৌধুরী। জন্ম চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম সরোয়াতলী গ্রামে। তিনি একাধারে সমাজহিতৈষী, শিক্ষানুরাগী, সমাজসংস্কারক, সংগঠক ও ধর্মীয় মানবীয় গুণাবলী সমৃদ্ধ সফল ও সার্থক একজন মানুষ।
এছাড়াও তিনি একজন সফল মৎস্য চাষি, সাবেক শিক্ষানুরাগী সদস্য পূর্ব গোমদÐী আহমদিয়া আজিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার, ইকবাল পার্ক সালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সহ-সভাপতি (৪ বার), ৩৮নং ছনদন্ডী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের ভূমিদাতা সদস্য। উপদেষ্টা-পশ্চিম সারোতলী বায়তুন নুর জামে মসজিদ, ভূমিদাতা সদস্য ও প্রধান উপদেষ্টা-পশ্চিম সারোয়তলী কাদেরীয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, সভাপতি-ব্র্যাকওয়াশ কমিটি, সারোয়াতলী ৯ কেন্দ্র, সামাজিক উন্নয়ন, মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী, ট্রেনিংপ্রাপ্ত ২০০৬ ইং ব্র্যাক বাংলাদেশ, গ্রাম সালিশী আদালত সদস্য, ২নং ওয়ার্ড ৫নং সারোয়াতলী, নির্বাহী সদস্য-দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক) বোয়ালখালী উপজেলা শাখার, বাংলাদেশ আইন সহায়তা ফাউন্ডেশন (বাসক) এর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ- সম্পাদক কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-বোয়ালখালী উপজেলার। এছাড়াও তিনি ১৯৮২ সাল হতে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় বোয়ালখালী উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও প্রশাসনের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে সম্পাদকীয় ও চিটিপত্র পাতায় নিয়মিত লিখেছেন।
তিনি জানান মহান রাব্বুল আলামীন মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টির কল্যাণের জন্য। মানব সেবা সর্বোত্তম সেবা হিসেবে নিজ নিজ ক্ষেত্রের পরিধির মধ্যে মানুষের কল্যাণের মাধ্যমে সৎ ও ন্যায় নিষ্ঠা সাদা মনের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই। আমি সর্বপ্রথম পারিবারিকভাবে মাতা-পিতা এবং আমার প্রথম শিক্ষাগুরু জেঠা মহাশয় মরহুম মো. আবদুল গোফরান প্রধান শিক্ষক সাহেব (প্রতিষ্ঠাতা সারোয়াতলী জর্জ জুনিয়র হাই স্কুল) এবং মক্তবের মাওলানা রফিকুল সাহেব (খতীব, হাজিরহাট জামে মসজিদ)। তাছাড়া আমি আর্ত মানবতার জনসেবার মাধ্যমে নিয়োজিত থাকতে চাই। বর্তমান সমাজের সুন্দর, সুশিক্ষিত, উত্তম মানুষ গড়ে উঠক সেইভাবে অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করার অনুপ্রেরণা করে যাচ্ছি। সরকারিভাবে সহযোগিতা চাই না।
সরকারিভাবে বৃক্ষরোপণ, মৎস চাষ এবং পোল্ট্রি বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছি এবং বাস্তাবায়ন ও করছি। ইতিপূর্বে বৃক্ষরোপণে উপজেলা পর্যায়ে পুরস্কার পেয়েছি। আমার প্রিয় কাজ আল-হিকে স্মরণ করা ও ইবাদত করা, সৎ ও ন্যায় নিষ্ঠার মাধ্যমে কাজ করতে অনুপ্রাণিত হই। পূর্বে ও বলেছি, বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিকে সাহায্য সহযোগিতা করা অন্যায়কারীদের প্রশয় না দেওয়া, অসামাজিক কর্মকাÐে জড়িত ব্যক্তিকে ঘৃণা করা। সমাজের মানুষ সুন্দর করে ভ্রাতৃত্বের সাথে চলা পছন্দ করি। সামাজিক এবং আমার আওতাভুক্ত দেশের মানুষ মানুষের জন্য, প্রত্যেকে যেন মোরা ভাই ভাই, প্রত্যেক মানুষ যেন ভাল কাজের মধ্যে নিজেদের নিয়োজিত রেখে ইহকাল ও পরকালের শান্তি লাভ করা যায়। দুষ্টু লোক থেকে মুক্ত থাকা, সৎ মানুষের দীক্ষা নেওয়া ও অনুসরণ করা আমার করণীয়।
প্রথমে সারোয়াতলী জর্জ জুনিয়র হাই স্কুল থেকে সপ্তম শ্রেনী, পরবর্তীতে কধুরখীল উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস এস সি এবং স্যার এ.টি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাস করি। তবে আমি শেরে বাংলা এ.কে.ফজলুল হক এর নীতি অনুসরণ করি। দিনদিন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে বিধায় বৃক্ষরোপণে সবুজ বেষ্টনী করে বিশুদ্ধ বাতাসে অক্সিজেন নিয়ে মানুষ যেন বাঁচতে পারে।
আমরা ৬ ভাই, ১ বোন। আমি নিজে এবং তৃতীয় ভাই অবসরপ্রাপ্ত মেজর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ২ ভাই আইনজীবী, ১ ভাই ব্যবসায়ী, আরেক ভাই চাকুরীজীবী। আমি ৪ সন্তানের জনক। ১ম কন্যা চট্টগ্রাম কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করে বিবাহিত, ২য় কন্যা চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে ¯œাতকোত্তরে অধ্যায়নরত। বাকি ২ পুত্র পাঠশালায় অধ্যায়নরত। পরিশেষে সকলের কাছে দোয়া কামনা করি ভবিষ্যতে আমি যেন মানুষের সেবা করতে পারি।