আজ বাংলাদেশে আসছে দ্বিতীয় পর্যটকবাহী জাহাজ

৭২ জন বিদেশি পর্যটক সকাল ৮টায় সেন্টমার্টিনে পৌঁছাবে। জাহাজেই ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করা হবে

9

মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে ৭২ জন পর্যটক নিয়ে আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় বাংলাদেশে প্রবেশ করবে দ্বিতীয় বিদেশি পর্যটকবাহী জাহাজ সিলভার ডিসকভার। এবারই প্রথম জাহাজে ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এসময় কোনো পর্যটককে জাহাজ থেকে নামতে হবে না। জাহাজটি ১২ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চারদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ করবে।
এ বিষয়ে সিলভার ডিসকভারার জাহাজটির দেশীয় ট্যুরিজম পার্টনার জার্নি প্লাসের সিইও তৌফিক রহমান বলেন, ৭২ জন পর্যটক নিয়ে সিলভার ডিসকভার জাহাজ মঙ্গলবার ভোরে বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম করবে। এরপর সকাল ৮টায় দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে পৌঁছাবে। জাহাজে ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করতে ঢাকা থেকে দু’জন কাস্টমস কর্মকর্তা টেকনাফের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছে। খবর বাংলানিউজের
তিনি জানান, জাহাজটি সেন্টমার্টিনে একদিন থেকে পরেরদিন সুন্দরবনের উদেশ্যে রওয়ানা দেবে। দু’দিন সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট, হাড়বাড়িয়া, ফকিরমনি পয়েন্ট ঘুরে দেখবেন তারা। সুন্দরবনের অপরূপ সৌন্দর্য ভ্রমণ শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি মোংলা বন্দরের ইমিগ্রেশন শেষে চেন্নাই বন্দরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবে। এটি দেশের পর্যটনশিল্পের বড় অর্জন। এছাড়া সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ঘোষণা অনুযায়ী, পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, বংলাদেশ জার্নি প্লাস ও ডেনমার্কের পুগমার্ক যৌথভাবে আয়োজিত এ সফরে পর্যটকরা চারদিন বাংলাদেশে অবস্থান করবে। আগে কলকাতা, থাইল্যান্ড হয়ে বাংলাদেশে এলেও এবার আসছে চেন্নাই-মিয়ানমার রুটে। জানুয়ারিতে ৬১ জন পর্যটক নিয়ে সিলভার ডিসকভার মোংলা বন্দর দিয়ে ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসা নিয়ে দ্বিতীয়বার আর এবছরের প্রথম বিদেশি পর্যটকবাহী জাহাজ দেশে প্রবেশ করেছে।
জাহাজটি টেকনাফ স্থলবন্দরের মাধ্যমে ‘এক্সিট ভিসা’ নিয়ে পাঁচদিন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণ সম্পন্ন করেছিল। এসময় পর্যটকপ্রতি ৫১ ডলার করে ভিসা ফি ছাড়াও ট্যুরিস্ট স্পট ফিসহ নানা ফি পায় বাংলাদেশ সরকার।
বাংলাদেশের এ ধরনের বিলাসবহুল যাত্রীবাহী জাহাজ এর আগে ২০১৭ সালে এসেছিল। সে সময় ১৬২ জন বিদেশি পর্যটক নিয়ে প্রথম বাংলাদেশে জাহাজ আসে। জাহাজটিতে ১৭টি দেশের বিদেশি পর্যটক ছিল। প্রথম জাহাজটি দু’বার মহেশখালী দ্বীপ এবং সুন্দরবন পরিদর্শন করে। এরপর ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক অনেক রুটে চললেও জাহাজটি বাংলাদেশে আসেনি। প্রায় দেড় বছর পর আবার বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটক নিয়ে জাহাজ আসতে শুরু করেছে।