জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা

আজ খালেদার আপিলের রায়

পূর্বদেশ ডেস্ক

28

জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদন্ডের রায় হাই কোর্টে বহাল থাকবে কি না সে সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ মঙ্গলবার।
এ মামলার আপিলের ওপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেয়।
খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এই আপিল আবেদনে তার খালাস চেয়েছেন। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন চেয়েছেন। আর রাষ্ট্রপক্ষ বিচারিক আদালতের দেওয়া ৫ বছরের সাজাই বহাল রাখার পক্ষে যুক্তি দিয়েছে।
ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার রায়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদন্ড দেন। খবর বিডিনিউজের
এছাড়া খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি (সার্টিফায়েড কপি) হাতে পান খালেদার আইনজীবীরা। এরপর হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা আপিল করেন।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তার অর্থদন্ড স্থগিত করে হাই কোর্ট। এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়। পরে ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বাড়াতে দুদকের করা আবেদনে রুল জারি করে হাই কোর্ট।
চার সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্র ও খালেদা জিয়ার কাছে ওই রুলের জবাব দিতে বলা হয়। তবে আদালত বলে দেয়, রুলের ওপর শুনানি হবে খালেদা জিয়ার আপিলের সঙ্গে।
আদালত আদেশে বলে, দুদক আইনে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে এ ধরনের রিভিশন বা আপিল দুর্নীতি দমন কমিশন করতে পারে কি না-সে বিষয়টি আলোচনা ও ব্যাখ্যার দাবি রাখে।
গত ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করে আদালত। ১২ জুলাই থেকে আপিল ও রুল শুনানি শুরু হয়।