আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ঢাকায় আতাতুর্কের ভাস্কর্য বসাবে তুরস্ক

13

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে আঙ্করায় তার একটি ভাস্কর্য স্থাপন করবে তুরস্ক; আর ঢাকায় স্থাপন করা হবে আধুনিক তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের একটি ভাস্কর্য। গতকাল বুধবার সচিবালয়ের তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ঢাকায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “বন্ধু প্রতীম দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আশা করি, আমরা (তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ান) মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেব।” বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশের এবং কামাল আতাতুর্ককে তুরস্কের ‘প্রতীক’ হিসেবে বর্ণনা করে ওসমান তুরান বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই দুই নেতার ভাস্কর্য দুই দেশে স্থাপন করব।” খবর বিডিনিউজের
শিগগিরই তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের এবং ঢাকার কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ে কামাল আতাতুর্কের ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইস্তাম্বুল ও চট্টগ্রামেও এ ধরনের কিছু করা যায় কি না, সে বিষয়েও তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, “তারা (তুরস্ক) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করবে। একই সাথে ঢাকায় আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা কামাল আতাতুর্কের আরেকটি ভাস্কর্য স্থাপন করা হবে। তুর্কির বিজনেস ক্যাপিটাল ইস্তাম্বুল আর বাংলাদেশের বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রামেও এ রকম কিছু করা যায় কি না, সেটি নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি।”
হাছান মাহমুদ বলেন, “দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ঐতিহাসিক, আমরা কমন ভ্যালুস শেয়ার করি। আমাদের অনেক কমন কালচার আছে। মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোয়ানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি আসবেন বলে সম্মতিও দিয়েছেন।”
মুজিববর্ষ উপলক্ষে কীভাবে সাংস্কৃতিক বিনিময় হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তুরস্কের টিআরটি জাতীয় চ্যানেলে মুজিববর্ষ উপলক্ষে কিছু অনুষ্ঠান প্রচার করার বিষয়েও রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে কীভাবে প্রশিক্ষণ আদান-প্রদান করা যায় সে বিষয়েও রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।