অ্যালিস, নাহিদ, সঞ্জীতের বোলিংয়ে ত্রুটি : বিসিবি

অভিযুক্তদের বোলিং পরীক্ষা আগামী সপ্তাহে

11

বোলিং অ্যাকশনের ত্রুটি নিয়ে বিপিএলের ষষ্ঠ আসরেও উঠেছিল অনেক অভিযোগ। এর মধ্যে ঢাকা ডায়নামাইটসের চমক জাগানিয়া স্পিনার অ্যালিস আল ইসলাম, রংপুর রাইডার্সের ডানহাতি অফস্পিনার নাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ডানহাতি অফস্পিনার সঞ্জীত সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এই তিন স্পিনারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি খুঁজে পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
অ্যাকশন রিভিউ কমিটির কাছে পরীক্ষা দিয়ে বোলিং অ্যাকশন শোধরানোর আগে এই তিন বোলার বোলিং করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে বিসিবি।
এর মধ্যে অ্যালিসকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে একটু বেশিই। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ঢাকা ডায়নামাইটসের হাইভোল্টেজ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। বিপিএলে সেটাই ছিল তার অভিষেক ম্যাচ। শুধু বিপিএল না, যে কোনো ধরনের টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচ। তার ওই হ্যাটট্রিকে জয়ের পথে থাকা রংপুর রাইডার্সের কপাল পোড়ে। শেষ বলের লড়াইয়ে ২ রানের রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নেয় ঢাকা ডায়নামাইটস। আর অভিষেকে হ্যাটট্রিক করে বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলেন অ্যালিস।
বিরল বিশ্বরেকর্ডের প্রথম অধিকারী হলেও বাংলাদেশের এই অচেনা স্পিনার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মুদ্রার অন্য পিঠ দেখে ফেলেন। বল হাতে বিশ্বকে জানান দেওয়া ডানহাতি অফ স্পিনারের বিরুদ্ধে অবৈধ অ্যাকশনের অভিযোগ তোলে রংপুর টিম ম্যানেজমেন্ট। ম্যাচ শেষে রংপুর তার ‘দুসরা’ বোলিং নিয়ে আপত্তি জানায়। ম্যাচের দুই আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল ও মার্টিনেজ সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দেন। হ্যাটট্রিকের আনন্দ মিলিয়ে যাওয়ার আগে অ্যালিস বুঝেছেন ফিরে আসতে হলে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে আবার।
তবে বিপিএল ষষ্ঠ আসরে ত্রুটিপূর্ণ বোলিং অ্যাকশনের দায়ে অভিযুক্ত তিন বোলারের বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা আগামী সপ্তাহে নেয়া হবে। পরীক্ষা শেষে ৪-৫ দিনের মধ্যেই জানিয়ে দেয়া হবে কার অ্যাকশন কতটা শুদ্ধ। পরীক্ষায় যাদের অ্যাকশন ত্রুটিপূর্ণ প্রমাডুত হবে তাদের আনা হবে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে।
বৃহস্পতিবার এ তথ্য দিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন ম্যানেজার নাসির উদ্দীন আহমেদ নাসু। তিনি জানান, ‘ওরা আমাদের অ্যাসেসমেন্টে আসবে। আগামী সপ্তাহে টেস্ট নেব। এর চার-পাঁচ দিন পরেই জানাবো, কার অ্যাকশনের কী অবস্থা। কারো অ্যাকশন ত্রুটিপূর্ণ ধরা পড়লে তাদেরকে আমরা পুনর্বাসনের মধ্যে নিয়ে আসবো।’