বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সভায় মেয়র

অর্থনৈতিক মুক্তিই হলো স্বাধীনতার ভিত্তি

11

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের বিজয়কে অর্থবহ করার জন্য বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সোনার বাংলা বাস্তবায়নে শত কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। অর্থনৈতিক মুক্তিই হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি। এ ভিত্তি বিনির্মাণে নেত্রী যাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তাদেরকে সচেতনভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন। নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি আরো বলেন, অর্জিত বিজয়ে আত্মতুষ্টি প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যারা আমাদের দলকে ক্ষমতায় এনেছেন তাদেরকে একটি সুন্দর বাসযোগ্য মাতৃভূমি উপহার দেয়া। তিনি ঘোষণা করেন দলকে তৃণমূল স্তর থেকে সংগঠিত করার জন্য সকল প্রস্তুতি ও উদ্যোগ আগে থেকেই ছিল। এখন তা প্রয়োগের পালা। তিনি এ নিয়ে কোনো বিতর্ক বা সমালোচনা না করতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, আমি কথা দিচ্ছি যারা যোগ্য এবং পরীক্ষিত তারাই নেতৃত্বে আসবেন। তাদেরকে নিয়েই দল সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
সভাপতির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ৩০ ডিসেম্বর একটি ঐতিহাসিক দিক। এ দিনে গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষা হয়েছে। জনগণ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় এনেছে। তাই সর্বক্ষেত্রে এ বিজয় বাঙালি জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার সৃদুঢ় ম্যান্ডেট।
নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাড. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ শহিদুল আনোয়ার, বখতিয়ার উদ্দিন খান, থানা আওয়ামী লীগের আনসারুল হক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিম উদ্দিন মহিম, মহানগর ছাত্রলীগের ইমরান আহমেদ ইমু। উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. সুনীল কুমার সরকার, এম জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, উপদেষ্টা শেখ মোহাম্মদ ইছহাক, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য শফিকুল ইসলাম ফারুক, অ্যাড. ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, হাজী মো. হোসেন, হাজী জহুর আহমদ, দিদারুল আলম চৌধুরী, আবু তাহের, উপ-সম্পাদক শহিদুল আলম, জহরলাল হাজারী, কার্যনির্বাহী সদস্য হাজী আবুল মনসুর, মো. নুরুল আলম, মহব্বত আলী খান, অমল মিত্র, রোটারিয়ান মো. ইলিয়াছ, হাজী বেলাল আহমদ, থানা আওয়ামী লীগের হাজী শফিকুল ইসলাম, হাজী ছিদ্দিক আলম, হাজী মো. ইছহাক, কাজী আলতাফ হোসেন, রেজাউল করিম কায়সার, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শামসুল আলম, সৈয়দ মো. জাকারিয়া, মো. জাামাল উদ্দিন, নুরুল আজিম নুরু, আবুল বশর, সলিমউল্লাহ বাচ্চু, কায়সার মালিক, আশরাফুল আলম, স্বপন ভট্টাচার্য্য, শেখ সরওয়ার্দী, মো. ইয়াকুব, মো. আফছার উদ্দিন চৌধুরী, আবদুস শুক্কুর ফারুকী, হাজী মো. হাসান, ফরিদ আহমদ চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আবদুল মান্নান, সালাউদ্দিন ইবনে আহমদ, সরওয়ার মোরশেদ কচি, এরশাদ মামুন, গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, ফয়েজ উল্লাহ বাহাদুর, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, মো. মুছা, আকবর আলী আকাশ প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি