রাঙামাটিতে আ.লীগের সমাবেশ

অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ না হলে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না

রাঙামাটি প্রতিনিধি

42

অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা বলেছেন, পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ না হলে এ অঞ্চলে কখনও শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না। দ্রুত পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর ব্যবহার করা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চাঁদাবাজি বন্ধসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এজন্য পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমন অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
রবিবার সকাল ১০টায় রাঙামাটি শহরের নিউমার্কেট চত্তরে অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসবিরোধী গণসমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা কমিটির সভাপতি সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার।
রাঙামাটি সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও রাঙামাটির সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু, সচেতন নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুছা মাতব্বর, রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বেলায়েত উদ্দিন বেলাল, জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের
সভাপতি পরেশ মজুমদার, রিজার্ভ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন ও রাঙামাটি আসবাবপত্র সমিতির সভাপতি শামীম আহমেদ প্রমুখ। এর আগে রাঙামাটি পৌরসভা চত্ত¡র হতে একটি সন্ত্রাসবিরোধী মিছিল বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিউমার্কেট চত্তরে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে দীপঙ্কর তালুকদার বলেন, বর্তমানে গোটা পাবর্ত্য চট্টগ্রামের মানুষ অবৈধ অস্ত্রধারীদের কাছে জিম্মি। এসব অস্ত্রধারী আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোর ছত্রছায়ায় পরিচালিত। অবৈধ অস্ত্র দিয়ে চলছে চাঁদাবাজি, হত্যা ও নির্বাচনে জয় ছিনতাই। অবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ অস্ত্রধারীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য সন্ত্রাস দমন অভিযান আরও জোরালো করতে হবে। অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা না হলে পার্বত্য চট্টগ্রামে কখনও শান্তি স্থাপন সম্ভব নয়।
সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা না হলে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। পার্বত্য শান্তিচুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে প্রয়োজন অহিংস কার্যকলাপ। তাই অবৈধ অস্ত্র পরিহার করে সরকারকে সহায়তা ও জনগণের কাতারে আসার জন্য আঞ্চলিক দলগুলোর প্রতি আহবান জানিয়েছেন তিনি।