‘অপারেশন সুন্দরবন’ ছবির ডিজিটাল লোগো উন্মোচন

2

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ওয়াইল্ড লাইফ থ্রিলার ছবি নির্মাণ করছেন দীপংকর দীপন। ‘অপারেশন সুন্দরবন’ শিরোনামের ছবিটি নির্মিত হচ্ছে সুন্দরবনে র‌্যাবের দুঃসাহসিক অভিযান নিয়ে।
বিশ্বের একমাত্র ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে একটা সময় ছিল বনদস্যুদের অভয়ারণ্য। সেখানের আশেপাশের বাসিন্দা থেকে শুরু করে জেলেরা থাকত আতঙ্কে। পরে র‌্যাবের অভিযানে একের পর এক বনদস্যু বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। এসব কিছুই দেখানো হবে সিনেমায়।
গত ১ নভেম্বর সুন্দরবন বনদস্যু মুক্ত ঘোষণার এক বছর পূর্তির অনুষ্ঠান হয় বাগেরহাটে। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অপারেশন সুন্দরবন’ ছবির ডিজিটাল লোগো উন্মোচন করা হয়। এটি উন্মোচন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিচালক দীপংকর দীপন; ছবির অভিনয়শিল্পী চিত্রনায়ক রিয়াজ, নুসরাত ফারিয়া, সিয়াম আহমেদ, জিয়াউল হক রোশান, তাসকিন রহমানসহ আরও অনেকে।
এই ছবিতে চিত্রনায়ক রিয়াজ অভিনয় করছেন র‌্যাবের কমান্ডিং অফিসারের চরিত্রে। তিনি ছবিটি সম্পর্কে বলেন, সমুদ্রের অববাহিকায় অবস্থিত সুন্দরবন। বাংলাদেশের প্রাকৃতির ফুসফুস এ বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ বনে ৪শ বছরের দস্যুতার ইতিহাস। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে র‌্যাব যে অসাধ্য-সাধন করেছেন মাত্র ১০ বছরে, এটা একটা বিশাল ব্যাপার। এখন সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। আজ আমরা অপারেশন সুন্দরবন নামে একটি অসাধারণ ছবির প্ল্যানিং করতে পেরেছি। চলচিত্রের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে আমার কাছে মনে হচ্ছে, যেন এ অন্ধকারের মানুষগুলো যেভাবে আলোর পথে এসেছে, ঠিক সেই ভাবে চলচিত্র অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে।
এছাড়া দীপংকার দীপন বলেন, ‘অপারেশন সুন্দরবন’ মুভিটির মাধ্যমে র‌্যাবের সুন্দরবনের দুঃসাহসিক সব অভিযানের পাশাপাশি এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে একসময় দস্যুদের অবাধ বিচরণ ছিল। যার ফলে সুন্দরবন নিয়ে সাধারণ মানুষের ভয় ছিল। সুন্দরবনের মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ ধরা ও মধু সংগ্রহ করতে পারত না। এখন সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। র‌্যাবের এই দুঃসাহসিক অভিযানকে উপজীব্য করেই নির্মিত হচ্ছে আমাদের সিনেমাটি।
নির্মিতব্য ‘অপারেশন সুন্দরবন’ প্রযোজনা করছে র‌্যাব ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট। এর সাথে সহ-প্রযোজক হিসেবে আছে থ্রি হুইলারস লিমিটেড। আগামী ২০২০ সালের ঈদুল আজহায় ছবিটি মুক্তি দেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যে চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে ছবির দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হবে।