সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের অভিযান

অক্টোবরে ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

মনিরুল ইসলাম মুন্না

0

নগরীতে ফিটনেস, লাইসেন্স এবং রেজিস্ট্রেশনবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে টানা কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল নগর পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েকটি বিষয়ের উপরে ট্রাফিক সপ্তাহও পালন করা হয়। যার মধ্যে ফিটনেস, মোটরসাইকেলের হেলমেট, আরোহীর হেলমেট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স বিহীন গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান অন্যতম। এর মাধ্যমে গত অক্টোবর মাসে নগর পুলিশ (সিএমপি) জরিমানা আদায় করেছে এক কোটি ৭২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৫০ টাকা। যা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিরসনসহ সুষ্ঠু ট্রাফিক কার্যক্রম পরিচালনায় নগর পুলিশের ট্রাফিক উত্তর ও বন্দর বিভাগে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
সিএমপির ট্রাফিক উত্তর ও বন্দর বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, সেপ্টেম্বর মাসে ট্রাফিক উত্তর বিভাগে ৯৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৯০০ টাকা ও বন্দর বিভাগে ৭৮ লক্ষ ৪৫ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
নগর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (বন্দর) এসএম শওকত হোসেন পূর্বদেশকে জানান, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে আমাদের অভিযানে অনেকগুলো বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে গাড়ির ফিটনেস, রোড পারমিট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট পরিধান ও উল্টোপথে যাত্রাসহ নিয়ম বহির্ভুত গাড়ি পার্কিয়ের অপরাধে
মোটরযান আইনে মামলা দিয়ে বিভিন্ন অংকের জরিমানা করা হয়েছে।
নগর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (উত্তর) মহিউদ্দিন খান বলেন, জেল-জরিমানা করা আমাদের মূখ্য উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সড়কে যারা ট্রাফিক আইন মানে না, তাদের বিরুদ্ধেই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।
এ ব্যাপারে সিএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার (উত্তর) মো. আমীর জাফর বলেন, যানজট নিরসনে আমরা অন্য যেকোন সময়ের তুলনায় কার্যক্রম বাড়িয়ে দিয়েছি। এতে পরিস্থিতির ইতিবাচক উন্নতি হয়েছে। তাছাড়া শব্দ দূষণ বন্ধে আমরা নিয়মিত সড়কে অভিযান করছি এবং হাইড্রলিক হর্নগুলো জব্দের পাশাপাশি চালকদের সতর্ক করছি।
এ ব্যাপারে নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) মোস্তাক আহমেদ পূর্বদেশকে বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইতোমধ্যে কয়েকবার যানবাহন মালিকদের নিয়ে বসেছি। চালকদের সমস্যাগুলো শুনেছি। একদিনে বা একমাসে তা পরিবর্তন সম্ভব নয়। কিন্তু পর্যায়ক্রমে এ সেক্টরে দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে। সড়কে পরিবর্তন ও শৃঙ্খলা ফেরাতে তিনি সকল নাগরিক ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।